শিরোনাম
  • ফের যে আসন থেকে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে খালেদা জিয়ার আন্তর্জাতিক ফুটবলে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইসরায়েল কে এই নতুন মেসি-ইয়ামাল? ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে যা বললেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোতে যে নতুন নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা আলুর দাম নিয়ে যে দুঃসংবাদ শোনালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা হাইকোর্টের রায়ের স্থগিতাদেশ নিয়ে যা জানালেন আইনজীবী শিশির মনির নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার সরকার নির্বাচন নিয়ে চাপ দিলে পদত্যাগ করবো: সিইসি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
  • টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে: তথ্যমন্ত্রী  

    জাগো কণ্ঠ ডেস্ক

    ২২ নভেম্বর, ২০২১ ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

    টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে: তথ্যমন্ত্রী  

    'টেলিভিশন শুধু বিনোদন বা সংবাদের জন্যই নয়, টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে, সেটিই হোক বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমাদের লক্ষ্য' বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

    রোববার বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে এদিন দুপুরে রাজধানীর বনানীতে একটি অভিজাত হোটেলে এসোসিয়েশন অভ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-এটকো আয়োজিত 'বাংলাদেশে টেলিভিশন চ্যানেলের বিকাশ' গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। 

    এটকো'র সভাপতি অঞ্জন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহসভাপতি ডিবিসি২৪ চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় বৈঠকে প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ, প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: নিজামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যা. ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম, বাসস চেয়ারম্যান অধ্যা. আআমস আরেফিন সিদ্দিক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান, আরটিভি'র ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মো: জসিম উদ্দিন, দেশ টিভি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ হাসান, একুশে টিভি'র প্রধান নির্বাহী পীযুষ বন্দোপাধ্যায় ও মাছরাঙা টিভি'র বার্তাপ্রধান রেজওয়ানুল হক রাজা বক্তব্য রাখেন। এটকোর পরিচালকবৃন্দ ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলসহ জ্যেষ্ঠ টিভি সাংবাদিকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।  

    বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে বৈঠক আয়োজনের জন্য এটকোকে ধন্যবাদ জানিয়ে  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তার প্রাণবন্ত কথনে বলেন, 'বাংলাদেশে আগে একটি টেলিভিশন ছিলো, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু করেছিলেন। আজকে একে একে ৩৪টি টেলিভিশন সম্প্রচারে আছে, আরো কয়েকটি প্রস্তুতি নিচ্ছে, ৪৫টির লাইসেন্স দেয়া আছে। সাংবাদিক, কলাকুশলী ছাড়াও টেলিভিশন শিল্পে সবমিলিয়ে প্রায় লাখখানেক মানুষ যুক্ত। আরো অনেকেই কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন বানায় ও বিক্রি করে। প্রায় পাঁচ কোটি বাড়িতে টেলিভিশন আছে।'

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী যাদেরকে উপযুক্ত মনে করেছেন তাদেরকে দিয়েছেন, যাতে দেশ, সমাজ, সাংবাদিকরা উপকৃত হবে এবং একইসাথে দেশ ও সমাজ গঠনে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। তাই এদিবসে আমার  বিনীত অনুরোধ, আমরা যেন দেশাত্মবোধ, মমত্ববোধ, মূলবোধ এবং মেধায় সমৃদ্ধ একটি নতুন প্রজন্ম গঠনে এই টেলিভিশন শিল্পকে কাজে লাগাতে পারি, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করবো।'

    টেলিভিশন শিল্পের উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপগুলো নিয়ে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, 'অনেক সমস্যা সমাধান হয়েছে এবং অনেক সমস্যা আছে। বাংলাদেশে সম্প্রচারের জন্য বিদেশি চ্যানেলকেই আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠাতে হবে। ক্যাবল নেটওয়ার্কে টিভির ক্রম ঠিক ছিলো না, এখন হয়েছে। ক্যাবল অপারেটররা নিজেরাই বিজ্ঞাপন দেখাতো, সেগুলো বন্ধ হয়েছে। বিদেশি শিল্পীদের দিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে শিল্পীপ্রতি দুই লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিতে হবে। এতে দেশি শিল্পীদের উপকার হবে। অন্যান্য দেশে কিভাবে টেলিভিশনগুলোর রেটিং করা হয় সেগুলো পরীক্ষা করে আমরা একটা সিদ্ধান্ত এসেছি এবং খুব সহসা আমরা এতে শৃঙ্খলা আনবো। বিভিন্ন টেলিফোন কোম্পানি ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছে। তাদেরকে সেই লাইসেন্স দেয়া হয়নি। লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ করে কেউ কিছু করবে সেটি হতে পারে না।'

    ধাপে ধাপে ক্যাবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটাল করা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এজন্য সবার সহযোগিতা ও প্রচার প্রয়োজন, কারণ অযাচিতভাবে বেশি টাকায় সেট টপ বক্স বিক্রি করা না হয় সেটা আমরা মনিটর করবো।  

    অপর বক্তাবৃন্দ দেশে টেলিভিশনকে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং  টেলিভিশনকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেবার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন রাখেন তারা।


    বিএনপি চায় খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকুক -ড. হাছান মাহমুদ
    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি’র উদ্দেশ্য বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য ভালো করা নয়, বিএনপি চায় বেগম জিয়া সবসময় অসুস্থ থাকুক। তাহলে উনারা সবসময় বলতে পারবেন তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। তারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন, যেটি অনভিপ্রেত। 

    রোববার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে এসোসিয়েশন অভ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-এটকো আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকশেষে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিতে বিএনপির শনিবারের গণঅনশন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। 

    মন্ত্রী বলেন, 'গতকাল বেগম জিয়াকে বিদেশ নেয়ার জন্য নয়া পল্টনে তাদের কার্যালয়ের সামনেসহ বিভিন্ন জায়গায় গণঅনশন করা হয়েছে। নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনে দোকানপাট থেকে খবর যেটি জানা যাচ্ছে, গণঅনশনের সময় সেখানে খাবারের দোকানগুলোতে ভালো বেচা-বিক্রি হয়েছে। সেখানে অনেক রাজনৈতিক নেতা বক্তব্য রেখেছেন যাদেরকে মানুষ রাজনীতিতে পরিত্যক্ত মনে করে। যারা রাজনীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে গেছেন, তারা সেখানে গিয়ে অনেকেই তাদের গুরুত্বটা বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন।' 

    ড. হাছান বলেন, 'আমার প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা হয় এবং ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। বাংলাদেশে বিশ্বমানের বেশ কয়েকটি হাসপাতালও হয়েছে। বেগম জিয়াকে তার হাঁটুর ব্যথার জন্য কিম্বা পেটের অসুবিধার জন্য কেন বিদেশ পাঠাতে হবে।' 

    'কথায় কথায় তারা বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছেন, না কি বেগম জিয়া পালাতে চাচ্ছেন, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন' বলেন তথ্যমন্ত্রী। 

    আগেও বেগম জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছিলেন তখনও বিএনপি তাকে 'বিদেশ পাঠানোর' এই জিকির তুলেছিল, কিন্তু তিনি দেশেই চিকিৎসায় ভালো হয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই বেগম জিয়া সুস্থ থাকুক, দ্রুত সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরত যান আমিও সে কামনা করি। কিন্তু এনিয়ে রাজনীতি অনভিপ্রেত।




    সাতদিনের সেরা খবর

    জাতীয় - এর আরো খবর

    তিন মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্বে রদবদল

    তিন মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্বে রদবদল

    ২২ নভেম্বর, ২০২১ ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

    অবশেষে সচিব পেল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    অবশেষে সচিব পেল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ২২ নভেম্বর, ২০২১ ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন