নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে; উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখছে। প্রধানমন্ত্রী ১০০ বছরের কর্মসূচি দিয়েছেন। সে কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিশুরা শুধু রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নয়; কর্মকর্তা হিসেবে নয়; তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে প্রধানমন্ত্রীর ১০০ বছরের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন উডেন ফ্লোর জিমনেসিয়ামে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ‘শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংগঠনের মহাসচিব কে এম শহিদ উল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি ও তথ্য কমিশনার ড. আবদুল মালেক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. বেলাল হোসেন ও সংগঠনের উপদেষ্টা তরফদার মো. রুহুল আমিন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন শুধু উন্নয়নের রোল মডেল নয়; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে করোনা মোকাবিলা করেছে তাও বিশ্বের মাঝে রোল মডেল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা এই মহামারীকে মোকাবিলা করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে আমরা বাংলাদেশের জনগণকে নিরাপদ রাখতে সমর্থ হয়েছি। তিনি বলেন, করোনা মহামারীতে সমগ্র পৃথিবীর অর্থনীতি যখন মুখ থুবড়ে পড়েছে; তখন পৃথিবীর ৫টি অগ্রসরমান অর্থনীতির একটি বাংলাদেশ। সমগ্র পৃথিবীতে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা শুনতে পারছি।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নিরপরাধ শিশু রাসেলকে কেন হত্যা করা হয়েছে? গর্ভবতী মাকে কেন হত্যা করা হয়েছে? বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে কেন হত্যা করা হয়েছে?- তা জানতে হবে। এসব হত্যা সম্পর্কে যখনই জানব, তখনই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানতে পারব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুিজবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীনের সাড়ে তিন বছরের মাথায় দেশ অন্ধাকরে তলিয়ে যায়। স্বাধীনতা বিরোধী ও রাজাকার গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশকে উল্টোপথে নিয়ে যায়। দেশ পরিচালনায় রাজাকারদের সামনে নিয়ে আসে। মুক্তিযোদ্ধারা আলোর মুখ দেখেনি। দেশ অন্ধকারের দিকে ধাবিত হয়। তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। আমরা অহংকার করে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের কথা বলতে পারি। সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ের কথা বলতে পারি। প্রতিমন্ত্রী পরে শিশু-কিশোরদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন।