ঝিনাইদহ জেলা শৈলকুপা উপজেলা ৮ নং ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের নতুন ভুক্ত মালিথীয়া, চর মালিথীয়া, ঠাকুর মালিথীয়া, পুরাতন মালিথীয়া ও শেখপাড়া, মাশালিয়া গ্রাম ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে মৌসুমি পেঁয়াজের চাষ শুরু হয়েছে। এবছর উপজেলার ৮ নং ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নে ৫০ হাজার একর হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন করা হবে। মৌসুমী এ পেঁয়াজ লাগানোর কাজে সাধারণ কৃষকের পাশাপাশি স্থানীয় অধিকাংশ স্কুল, কলেজের ছাত্ররাও অংশগ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মাশালিয়া গ্রামের মাধ্যমিক শিক্ষার্থী সৌরভ হোসেন জাগো কণ্ঠকে জানায়, এখন অধিকাংশ স্কুল, কলেজ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বেশিরভাগ ছাত্রই পেঁয়াজ লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে।
মাধ্যমিক স্তরের আর এক ছাত্র নিশান জানায়, স্কুল, কলেজ বন্ধ, আর পেঁয়াজ লাগানোর কাজ অন্যান্য কাজের তুলনায় অনেক সহজ। তাছাড়া কাজের পারিশ্রমিকও অনেক ভালো। একদিন কাজ করলে ৬০০/৬৫০ টাকা পাওয়া যায়। নতুন ভুক্ত মালিথীয়া গ্রামের প্রান্তিক চাষি তুহিন বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, পেঁয়াজ লাগানোর মৌসুমে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা অনেক কম থাকে ফলে শ্রমিকের মজুরি অনেক বেশি দিতে হয়। আর এখন যেহেতু অধিকাংশ স্কুল কলেজ বন্ধ যার ফলে স্কুল, কলেজগামী অধিকাংশ ছাত্রই মৌসুমী পেঁয়াজ লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে ।
শেখ পাড়া গ্রামের শমেস শেখ বলেন, এ বছর উপজেলায় বিভিন্ন জাতের দেশি ও উচ্চ ফলনশীল জাতের হালি পেঁয়াজ রোপণ করা হচ্ছে। পুরাতন মালিথীয়ার শরীফ হোসেন বলেন, দেশি, লাল তির সিড, লাল তির কিং ও মেটাল জাতের মধ্যে লাল তির কিং বেশি আবাদ করা হচ্ছে। উপজেলা ও ইউনিয়নের অধিকাংশ কৃষকের অভিমত, সরকারি সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পেঁয়াজের ফলন ও চাষের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।