ঢাকা সহ চার জেলায় চলছে সাত ঘন্টার শিথিল কারফিউ। এছাড়া সারাদেশে সীমিত সময়ের জন্য চলছে অফিস কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে কারফিউ। কারফিউ শিথিলের সময় সারাদেশে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা থাকছে। চলছে তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার কাজ। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী ছাড়া বাকি ৬০ জেলায় কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। শিথিল কারফিউ চলাকালে ঢাকা সহ সারাদেশে জনজীবন অনেকা স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানা গেছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে গত শুক্রবার রাত থেকে দেশে কারফিউ জারি করা হয়। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে মাঠে নামে সেনাবাহিনী। গত রোববার থেকে সব ধরনের অফিস ও গার্মেন্টস বন্ধ ঘোষণা করে জারি করা হয় সাধারণ ছুটি। ছুটির পর বুধবার থেকে খুলছে সরকারি বেসরকারি সব অফিস। তবে, সকাল ৯ টার পরিবর্তে অফিস শুরু হচ্ছে সকাল ১১টা থেকে এবং বিকেল ৫টার পরিবর্তে অফিস চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।
গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীতে কারফিউ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে। অন্যান্য জেলায় কারফিউ থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।
এদিকে, কারফিউ শিথিল সময়ে মহাসড়কে চলছে দূরপাল্লার যানবাহন। সকাল থেকে রাজধানীতে আসা-যাওয়া করছে পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ ও যাত্রীবাহী বাস। সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। বুধবারও শিথিল কারফিউ চলাকালে ঢাকায় যানজট বেধে যায়। ঢাকা সহ সারাদেশে যানবাহন ও মানুষের চলাচলও ছিল অনেক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কারফিউ প্রত্যাহার করা হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন।