পিরোজপুর নাজিরপুরে মুসলিম মেয়েকে ধর্মান্তরিত না করে শাঁখা সিঁদুর পরিয়ে গৃহবধু বানিয়ে এক ঘরে বসবাস করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দেউলবাড়ী ইউনিয়নের বিলডুমুরিয়া গ্রামের বিবেক হালদারের বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবেক হালদারের ছেলে দূর্জয় হালদার (১৬) (এস এস সি পরীক্ষার্থী) ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক করে জামালপুর জেলার বক্সীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের মৃত মো: ইসমাঈল এর মেয়ে ফাতেমা আক্তার (১৬) কে ধর্মান্তরিত না করে শাঁখা সিঁদুর পড়িয়ে বৌ সাজিয়ে হিন্দু ধর্ম মতে বসবাস করার অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে এলাকায় ব্যবপক ক্ষোভ ও গুনজনের সৃষ্টি হয়েছে।
মেয়ে ফাতেমা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক হওয়ায়, আমার গত দুই মাস আগে ঢাকার সদরঘাটের একটি মন্দিরকে স্বাক্ষী রেখে শাঁখা সিঁদুর পড়ি। আমার বাবা মৃত্যুবরণ করায় এবং মা বিদেশে থাকে। আমার ভাই আমার খোঁজ-খবর না নেওয়ায় আমি বাধ্য হয়ে গার্মেন্টস এ চাকরি করি এবং ঢাকার রামপুরার সিপাহীবাগে ভাড়া বাসায় থাকতাম এখন দূর্জয়ের বাড়িতে আছি।
এদিকে ছেলে-মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় আইনগত ভাবে ধর্মান্তরিত ও বিয়ে হচ্ছে না। এনিয়ে এলাকায় সমালোচনায় টক অফ দা টাউনে পরিনত হয়েছে। বিয়ে এবং ধর্মান্তরিত না হয়ে দীর্ঘদিন এক সঙ্গে বসবাস করার বিষয়ে সংবাদকর্মীরা জানতে চাইলে ছেলে পক্ষের অভিভাবকরা কোন সদোত্তর দিতে পারে নি।
স্থানীয় ৩ নং দেউরবাড়ী দোবড়া ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম রফিকুল আলম বাবুল এই প্রতিবেদককে বলেন, এমন ঘটনা নিন্দাজনিত, এতে সমাজ ধ্বংস হয়, যেহেতু উভয়েই অপ্রাপ্ত বয়স্ক তাই বিষয়টি প্রশাসনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার সু-দৃষ্টি আকর্শন করছি।
এবিষয়ে বৈঠাকাটা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক হারুন অর রশিদ জানান, ঘটনা শুনেছি, এখন পযন্ত কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতিমা আজরিন ত্বন্নি এর সঙ্গে মঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা সমাজসেবার সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করেন।
এবিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুবুর রহমানের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায় নাই।