বিএনপির দ্বিতীয় দফার অবরোধের প্রথম দিনে পিরোজপুরে কোন প্রভাব পড়েনি। যোগাযোগ ব্যাবস্থা ও জনজীবন স্বাভাবিক ছিলো। যথা সময়ে ঢাকাসহ দূরপাল্লার বাস আসা-যাওয়া করছে। কেন্দ্রীয় বাসষ্ট্যান্ড থেকে খুলনা-বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায়ও বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর নির্দেশে অবরোধের বিরুদ্ধে সরব ছিলো আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী সংগঠন গুলো। জেলা সদরের বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর ও কৃষ্ণচূড়া মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে তারা। বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরে আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলুর নেতৃত্বে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য গোপাল বসু, যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান জিয়া, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নাজিম উদ্দিন সোহেল, ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিকসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মৎস্যজীবীলীগের নেতা কর্মীরা।
অপরদিকে শহরের ভাগীরথী চত্বর কৃষ্ণচূড়া মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন কালে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম পিরুর নেতৃত্বে জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাদশা মোল্লা, যুবলীগ নেতা আব্দুল আলীম সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইমরান আহমেদ, শেখ হাসান মামুন, জসিম হাওলাদার রায়হান, রাসেল সিকদার, জুনায়েদ আহম্মেদ রাসেল, ৮নং পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি কামাল হোসেন, প্রমুখ। অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাবেক লীগের নেতা-কর্মীরা। এদিকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ বিভিন্ন সড়কে র্যাব, পুলিশের বাড়তি সতর্কতা ছিলো। পুরানো বাসষ্ট্যান্ড, বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর ও জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে, বলেশ্বর ব্রীজ, ভাগিরথী চত্ত্বর, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ধুপপাশা এলাকায় পুলিশের কড়া নজরদারি ছিলো। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবির হোসেন জানান, নাশকতার চেষ্টা করায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।