পিরোজপুরের জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শেখ রাসেল এর জন্মদিন পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শেখ রাসেল তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতই মানবিক গুনাবলীর অধিকারী ছিলেন।
বুধবার ( ১৮ অক্টোবর) পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাঈফ মিজান স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জেলা পর্যায়ের সকল অফিসারগণ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের প্রানের চেয়ে অধিক ভালবাসতেন এবং ১৯৭৪ সালে শিশুদের জন্য আইন তৈরী করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশুদের হাতে ইংরেজি বছরের প্রথম দিন ঝকঝকে তকতকে বই তুলে দেন, যাতে করে তারা শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারে। এছাড়া শিশুদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন সরকার।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হোসেন খান, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার যুগ্ন পরিচালক মোঃ আব্দুল কাদের, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চৌধুরী, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কানাই লাল বিশ্বাস, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ ইকবাল কবীর, জেলা শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি, জেলা যুবলীগের সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, প্রেসক্লাব সভাপতি সফিউল হক মিঠু, প্যানেল মেয়র মোঃ আব্দুল হাই, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাসেল পারভেজ রাজা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়া তানজিল এবং কালেক্টরেট স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্র আহাদ রাইহান।
আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্টের কালো রাতে যে সকল নরপিচাশরা বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা, শেখ রাসেলসহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের বিচার করে এই দেশকে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের করে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে জেলা সার্কিট হাউজ থেকে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে একটি বর্নাঢ্য র্যালী শুরু হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। সেখানে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।