পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ভূমি অফিসের জারিকারক আব্দুল জব্বারের দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে আব্দুল জব্বার আঙ্গুল খুলে কলাগাছ হয়েছেন । বিভিন্ন উপায়ে তিনি কাউখালী একই অফিসে একটানা প্রায় ২০ বছর চাকরি করছেন ।
তার আয়ের উৎস ও খুটির জোর কোথায় জানতে চেয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। তার দাপটে ভূমি অফিসের সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ রয়েছে।
আব্দুর জব্বারের চাকরির আগেই তার পিতার মৃত্যু হয়েছে ।
চার ভাই এক বোনের সংসারে বাবার রেখে যাওয়া মাত্র মাত্র তিন কাঠা সম্পত্তির মালিক ছিলেন তারা। চাকরির পরপরই তার বাড়িঘর ও আয়ের দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ইতিমধ্যে কাউখালী উপজেলার ১৯-৬-২০১৪ ইং তারিখে ৭৪০ নং কবলা দলিলসহ দুই বিঘা জমি ২৫ লাখ টাকায় ক্রয় করেন, এছাড়া সুবিদপুর গ্রামে ২০২১ সালে ২৪৪ নং ও জমি ক্রয় করা হয়।
এছাড়াও কাউখালী উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে একটি ভিটি তার ভাইয়ের নামে ২০২২ সালের ৭৯৬ নং দলিল মূলে ৪৫ লাখ টাকায় ক্রয় করেন। এছাড়াও নামে বেনামে অনেক জায়গা জমি রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী এত অল্প দিনে কোটি টাকার আয়ের উৎস কোথায় তা জানতে চেয়ে অভিযোগ করেন ভুমি কর্তৃপক্ষের কাছে এছাড়া আরো জানা যায় আব্দুল জব্বার ভূমিহীনদের জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে মোটা অংকের মধ্যস্থয় বিত্তবানদের কাছে ভূমি বন্দোবস্ত করে দেন ওই জারি কারক।
জারি কারক আব্দুল জব্বার এই প্রতিবেদককে জানান তার বিরুদ্ধে আনিত দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন তবে আমার ভাই ও মেয়ের নামে ১টি দলিল রয়েছে।
কাউখালী উপজেলা এসি ল্যান্ড এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানাব সজল মোল্লা বলেন আমি অল্প দিন হলো আসছি তবে আমি ব্যাপারগুলো খতিয়ে দেখব । আব্দুল জব্বার এর বিরুদ্ধে সম্ভবত একটি অভিযোগ হয়েছিল অনেক আগে বিষয়টি না দেখে কিছু বলা সম্ভব না।