বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে দক্ষতা,জনসমর্থন ও অভিজ্ঞতাবলে নিজেকে সুপার-৫ এ প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ধরে রেখেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম,এমপি।পাশাপাশি নিজ নির্বাচনি এলাকা পিরোজপুর-১ আসনকে গড়ে তুলেছেন সময়োপযোগী বসবাসযোগ্য অঞ্চল। শতভাগ চাঁদাবাজ মুক্ত পিরোজপুর গড়তে সক্ষম হয়েছেন নির্বাচিত হওয়ার পরপরই।এছাড়া টেন্ডারে অনিয়ম বন্ধ,আইন শৃঙ্খলা রক্ষা,সন্ত্রাস ও লুটেরা মুক্ত পিরোজপুর গড়ার ক্ষেত্রে বদ্ধ পরিকর এই নেতা।
“শ ম রেজাউল করিমের বিকল্প এখনো তৈরি হয় নাই ভাই-তার জায়গায় যাইতে পারবে না কেউ”প্রবীণ আওয়ামী লীগ নতা ও সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ঠিক এভাবেই অকপটে বলে দিলেন,শেষে বললেন কথা পরিষ্কার “
এ প্রজন্মের জনপ্রিয় একজন যুবলীগ নেতা সাবেক ভিপি ও বর্তমান পিরোজপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস এম বায়েজিদ হোসেন সম্প্রতি তার বক্তব্যে আরেকটি বাস্তবতা তুলে ধরেন-“শ ম রেজাউল করিম আমাদের রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু”
ব্যক্তি শ ম রেজাউল করিম:
শ ম রেজাউল করিম নতুন প্রজন্মের কাছে একজন আলোর ফেরিওয়ালা “
তিনি একাধারে সাংবাদিক, দার্শনিক, আইনজীবী,বলিষ্ঠ সোচ্চার কন্ঠস্বর,টকশো ব্যক্তিত্ব,আওয়ামীলীগ নেতা,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন মন্ত্রী, তার নির্বাচনী আসন পিরোজপুর- ১ এর মানুষের কাছে উন্নয়ন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, স্নেহের রেজা" নামে পরিচিত তিনি।
বাংলাদেশের মানুষের কাছে আইকনিক পলিটিকাল লিডার হিসেবে খ্যাত এই নেতা,তাছাড়া আইনাঙ্গনে নেতৃত্বদানকারী সফল নেতা হিসেবে তিনি বহুল প্রশংসিত।
নেতৃত্বে পিরোজপুর-১ আসনের এমপি ও মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম :
অবহেলিত পিরিজপুর কে নতুন করে ঢেলে সাজিয়ে ডিজিটাল পিরোজপুর এর জনক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন সাধারণ মানুষের কাছে এই নেতা। তাছাড়া তার মন্ত্রীত্বের গত চার বছরে তিনি পিরোজপুর- ১ আসনকে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন।
দল ও দল প্রধান, দলীয় নেতা-কর্মী। -তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত পৌঁছেছেন মানুষের অন্তরে। যায়গা করে নিয়েছেন তার সততা,কমিটমেন্ট রক্ষা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে।ঠিক এমনটিই বললেন নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুইদুল ইসলসাম মুহিত।
শ ম রেজাউল করিমের আরেকটি দিক হলো তিনি একজন প্রখ্যাত টকশো ব্যক্তিত্ব। প্রযুক্তির বিকাশের হাত ধরে গনমাধ্যমের বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অর্থপুর্ন যুক্তি দিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের সঠিকতা প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ও সরকার প্রধান শেখ হাসিনার মানুষের জন্য কাজ করা এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির কথা তিনি পৌঁছে দিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি সহ,সারাবিশ্বের বুকে।
কাজেই, কাজ সততা মনুষ্যত্ব অভিজ্ঞতা জনপ্রিয়তা এর কোনোটাতেই পিছিয়ে নেই শ ম রেজাউল করিম বরং অনেক এর চেয়ে অনেক অংশে এগিয়ে রয়েছেন জনপ্রিয় এই নেতা।
গত ৪ বছরে পিরোজপুর-১ আসনের মানুষ একজন শ ম রেজাউল করিমের কারনে যতটা উন্নয়ন পেয়েছেন স্বাধীনতার পর থেকে পিরোজপুরে এত উন্নয়ন কেউ চোখে দ্যাখেনি,উদাহরণস্বরূপ পিরোজপুর -১ আসনের গ্রাম গঞ্জের রাস্তা ব্রিজ-কালভার্ট এর চলমান কাজ সহ, প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাকী কাজেরও ইতিবাচক প্রকৃয়া চলমান রয়েছে।অর্থাৎ উন্নয়ন জনগনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন এই নেতা।
করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে শ ম রেজাউল করিম :
করোনা মহামারীকালীন সময়ে যখন পিরোজপুর, নাজিরপুর,নেছারাবাদের অনেক নেতা ঘর থেকে বের হননি, তখন শ ম রেজাউল করিম ছুটে গিয়েছেন পিরিজপুরের আপামর মানুষের কাছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন, অর্থাৎ জনবিচ্ছিন্ন হননি। পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন এর কাজটি ছিলো চ্যালেঞ্জিং,তবুও তা শ ম রেজাউল করিম এর কারনে বাস্তবায়ন হয়েছে।পিরোজপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, আবাসন প্রকল্প,বিসিক শিল্প নগরী, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ, আইসিটি পার্ক স্থাপন সহ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও প্রকৃয়াধীন রয়েছে ।সুতরাং সাধারণ মানুষরাই মন থেকে চান তাদের নেতা,তাদের প্রতিনিধি কাজের মানুষ হোক।
শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার এই সফরসঙ্গী, যিনি নিজগুণে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।শ ম রেজাউল করিম ছিলেন, আছেন ভবিষ্যতেও থাকবেন ও নিজগুণে আবারো জয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে
পিরোজপুর -১ আসন উপহার দিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ফুলু ।
ক্যারিশমেটিক এই নেতা কথা আর কাজের মিল রাখার ক্ষেত্রে বদ্ধ পরিকর।
এজন্য তাকে “লিডার অব প্রমিজ” নামে আখ্যায়িত করেছেন এপ্রজন্মের তরুন মুজিব আদর্শের সেনা, লেখক, সাংবাদিক আমিন মোস্তফা ।গতানুগতিক ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে নতুন আশার আলো দেখিয়েছেন এই নেতা।বিশেষ করে স্বাধীনতাকালীন সময় থেকে আওয়ামী লীগের আসন নামে পরিচিত এই পিরোজপুর -১ একসময় বিএনপি জামাতের দখলে চলে যায়,ওল্ড জেনারেশনের অনেক নেতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এজন্য পিরোজপুরের গুটিকয়েক পরিবার দ্বায়ী।
তারা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে পিরোজপুরে আনায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সুধাংশু শেখর হালদারকে বারবার পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়ে করেছিলো।
১/১১ পরবর্তী সময়ে ২০০৮ এর নির্বাচনে সাঈদুর রহমান আউয়াল(এ কে এম এ আউয়াল) বিজয়ী হওয়ার পার, আওয়ামী লীগের রাজনীতি পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিতে পরিণত হয়।ত্যাগী তৃণমূল নেতা কর্মী হামলা মামলার শিকার হন।পুরষ্কৃত করা হয় উড়ে এসে জুড়ে বসাদের।এভাবে দশ বছর চলে।এরকমই বিবৃতি দিয়েছেন প্রবীণ নেতা কর্মীরা।
শ ম রেজাউল করিম এর আগমন ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে আলোর ঝলকানির মতো বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের প্রাণ খ্যাত তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
রেজাউল করিম বর্তমানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।জাতীয় কাজকর্মের পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহেই যখনই সুযোগ পান নিজ এলাকায় এসে সুখে দুঃখে-উৎসবে আনন্দে সবার পাশে থাকেন।
পিরোজপুরকে স্মার্ট পিরোজপুর গড়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করা শ ম রেজাউল করিম জনমনে সফল নেতা বলে উল্লেখ করেন ২১ আগস্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃমোস্তফা কামাল,সুলতান, সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ।নাজিরপুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু বলেন পিরোজপুর, নাজিরপুর,নেছারাবাদের জনমানুষের নেতা শ ম রেজাউল করিমই পারবেন সকল নেতাকর্মীদের সমন্বয় করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্মার্ট পিরোজপুর উপহার দিতে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন,অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদন, পিরোজপুর জেলা হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ।
বিসিক শিল্প নগরী স্থাপন এবং টেক্সটাইল কলেজ স্থাপন
,নাজিরপুরে অত্যাধুনিক অডিটরিয়াম ও উপজেলা কমপ্লেক্স স্থাপন, স্বরূপকাঠির সন্ধ্যা ও বেলুয়া নদীর উপরে সেতু নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন। গোপালগঞ্জ টু স্বরূপকাঠি পর্যন্ত চার লেন বিশিষ্ট রাস্তা একনেক এ অনুমোদন।স্বরূপকাঠি ও শ্রীরামকাঠীতে ২টি ফেরী এবং ইন্দেরহাটে ফায়ারসার্ভিস নির্মাণ,টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল কলেজ এবং শ্রীরামকাঠী মহাবিদ্যালয় স্থাপন, মডেল মসজিদ স্থাপনসহ অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা এবং মন্দির সংস্কার এবং পুননির্মাণ।তিন উপজেলায় অসংখ্য ব্রিজ এবং কালভার্ট নির্মাণ। নির্বাচনী এলাকার ৩ উপজেলায় নতুন নতুন রাস্তা নির্মাণ এবং পুরনো রাস্তা সংস্কার,নাজিরপুরে বঙ্গবন্ধুর
ম্যুরাল ও শহীদ মিনার নির্মাণ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন নতুন ভবন নির্মাণ ও কলেজ ভবন নির্মাণ। শতভাগ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং মাদকমুক্ত পিরোজপুর গঠন, নাজিরপুরে বাস স্ট্যান্ড এবং বাইপাস সড়ক নির্মাণ,তিন উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মান সহ বহুবিধ কাজ সম্পন্ন করেছেন এই নেতা।
এছাড়াও নানামুখী প্রায় শতকোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান
শ ম রেজাউল করিমের নির্বাচনী এলাকা ঘুরে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের মনোভাব বোঝা গেলো ১/১১ এর পরীক্ষীত এই নেতার সদালাপ,শুদ্ধাচার,হৃদয়াবেগ দিয়ে মানুষকে নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ করার গুন ক্ষমতাসম্পন্ন এই নেতা কাজের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন।আত্মঅহমিকা মুক্ত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিই এখন পিরোজপুর-১ এর মানুষের মনের মানুষ।আর তার বিকল্প তিনি নিজেই।