ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নাস্তিক বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র নিয়ে শিক্ষা সিলেবাসে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইসলামী শিক্ষাকে সিলেবাস থেকে বিতাড়ন করা হয়েছে এবং সার্বিক পর্যালোচনায় এমন বহু বিষয় আছে যা এদেশের মানুষের বোধ-বিশ্বাস, সামাজিক পুঁজির সাথে সাংঘর্ষিক। বিজ্ঞানের নামে বিজ্ঞান অসমর্থিত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। দেশের সচেতন শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ প্রজন্মকে নাস্তিক বানানোর নীল নকশা ও চক্রান্ত রুখে দিবে।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) ঐতিহাসিক চরমোনাই বার্ষিক ফাল্গুনের মাহফিলের ৩য় দিন সকালে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ছাত্র গণজমায়েতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন।
পীর সাহেব চরমোনাই আরো বলেন, ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সারাদেশে আদর্শিক ছাত্র রাজনীতি চর্চা করছে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও চারিত্রিক অবক্ষয় রোধে ছাত্র আন্দোলনের কার্যক্রম প্রশংসনীয়। দেশময় আত্মশুদ্ধ নেতৃত্ব গড়তে শিক্ষার্থীদের ইসলামী ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশ এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে আদর্শিক জীবন গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর এর সঞ্চালনায় ছাত্র গণজমায়েতে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য হযরত মাওলানা নুরুল হুদা ফয়েজী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, মাওলানা নেছার উদ্দিন, জি এম রুহুল আমীন, মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, নুরুল করীম আকরাম, মাওলানা নুরুল ইসলাম আল-আমিন, প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
ছাত্র গণজমায়েতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি, বইয়ের বিভিন্ন গল্পের উদাহরণে যেসব চরিত্র ব্যবহার করা হয়েছে তাদের অধিকাংশের নামে দেশীয় ছাপ নেই বরং সুকৌশলে পাশ্চাত্য এবং ব্রাহ্মণ্যবাদী বিভিন্ন নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাংস্কৃতিক অগ্রাসন চালানো হয়েছে । ভুলে ভরা পাঠ্যবই রচনার সাথে জড়িতদের ভিন্ন কোন রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
কেন্দ্রীয় সভাপতি আরো বলেন আমরা মনে করি, এই বই সংশোধন না বরং বাতিল করতে হবে এবং সত্যনিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ও উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে নতুন করে বই রচনা করতে হবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ- এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নূরুল বশর আজিজী, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইবরাহীম হুসাইন মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুন্তাছির আহমাদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মাদ আল আমিন সিদ্দিকী, দাওয়াহ সম্পাদক মুহাম্মাদ মিশকাতুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, দফতর সম্পাদক শিব্বির আহমেদ, প্রচার সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।