যশোর শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, পেশি দাপট, টিসিবি ও ভিজিডির মাল আত্মসাৎসহ সাতটি অভিযোগে ১২ জন ইউপি সদস্য তার বিচার দাবি করে অনাস্থা প্রস্তাব করেছেন। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের স্মৃতিসৌধ সংস্কারের টাকাসহ কয়েকটি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় রোববার (৬ নভেম্বর) প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করেন ডিহি ইউনিয়নের ১২ জন ইউপি সদস্য (মেম্বার)। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) মেম্বাররা যশোর জেলা প্রশাসক ও শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বিষয়গুলো লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের স্মৃতিসৌধ সংস্কারের নামে দুই লাখ ৩৬ হাজার ৫৪২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। হাটবাজার উন্নয়নের ৩৬ হাজার ৫৪২ টাকা এবং এলজিএসপি খাতে বরাদ্দ যুবকদের প্রশিক্ষণের এক লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
সর্বশেষ কাবিটা প্রকল্পের ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেন। পরে ইউপি সদস্যরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি টাকা আটকে দিয়েছেন। কাবিটা প্রকল্পের এ কাজটি এলাকার লোকজন সম্পন্ন করলেও ভূয়া প্রকল্প দাখিল করে তিনি বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের চেস্টা করেন। এছাড়াও পরিষদের কোন কাজে মেম্বারদের সম্পৃক্ত না করে নিজেই সব কাজ করে থাকেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান, ইউপি মেম্বার মফিজুর রহমান মল্লিক, আল-আমিন, ফারুক হোসেন, আব্দুল মান্নান, সিদ্দিক জামান লাল্টু, রিজাউল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, সংরক্ষিত ইউপি মেম্বার মিনু খাতুন, রূপালী বেগম ও বিলকিস বেগম উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ এর ভিত্তিতে ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মুকুলের সাথে যোগাযোগ করতে তার মুঠোফোনে (০১৭১৮-৬৬৭১৯১) অনেকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেনি।