ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, দক্ষতা ও যোগ্যতা কাজে লাগাতে হবে।
এক্ষেত্রে যেসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জসমূহ এরইমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলোকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী শ্রেণিতে বিভাজন করে কার্যকর ও যুগোপযোগী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনকে একটি আদর্শ সেবাধর্মী ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের নীতি সহায়তা, অর্থ ও জনবল সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে। যুগোপযোগী নীতি ও আইনী কাঠামো, পর্যাপ্ত দক্ষ ও যোগ্য জনবল এবং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা একটি টেকসই ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছি ।
প্রতিমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বড় মগবাজারে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন আয়োজিত ‘একটি টেকসই উন্নয়ন ভাবনা: বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের সম্ভবনা ও সমস্যা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মাদ আব্দুল আওয়াল হালাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়াকফ প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন। মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ধর্ম মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডরী এমপি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্ণর্সের গভর্ণর ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সংস্থা) মুহা. মুনীম হাসান এবং ইসলামিক ফাউÐেশনের মহাপরিচালক ড. মো. মুশফিকুর রহমান।
সেমিনারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ধর্ম, আইন, অর্থ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউÐেশন, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রতিনিধিগণ, প্যানেল আইনজীবী ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।#