পিরোজপুরের নাজিরপুরের বৈঠাকাটা এলাকা থেকে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের তিন সদস্য এবং সাজাপ্রাপ্ত ১২ বছরের পলাতক এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গ্রেফতার হওয়ার আসামীদের নামে একাধিক মামলা আছে বলে এক প্রেসব্রিফিং এ জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।
গ্রেফতার হওয়া আন্ত:জেলা ডাকাত দলের তিন সদস্য হল- বরিশালের বানরীপাড়া উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামের সুশান্ত চক্রবর্তির ছেলে শুভংঙ্কর অরফে শুভ চক্রবর্তি (৩৮), বরগুনা জেলার বরগুনা সদর উপজেলার বড়ইতালা খাড়াকান্দা এলাকার জব্বার সিকদারের ছেলে মো. বারেক সিকদার (৩৯) এবং বরগুনা জেলার বরগুনা সদর উপজেলার শিয়ালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. সেলিম সিকাদর (৫৩)।
প্রেস বিফ্রিং এ পুলিশ সুপার জানান, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানার বৈঠাকাটা এলাকার একটি হোটেল থেকে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতি, দস্যুতা ও চুরিসহ একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে। তাদের সিডিএমএস পর্যালোচনা করে ও সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করে শুভংঙ্কর অরফে শুভ চক্রবতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও চুরিসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। বারেক সিকদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, দস্যুতা ও চুরিসহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৪টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। মো. সেলিম সিকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ডাকাতির প্রস্ততি ও চুরিসহ ৬টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ১টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। তারা সবাই আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি করে আসছিল। প্রত্যেক মামলায় আসামীরা চার্জশীটভুক্ত আসামী এবং বর্তমানে মামলাগুলো আদালতে বিচারাধীন আছে।
অপরদিকে মঠবাড়িয়া থানায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ১২ বছরের পলাতক আসামী মো. রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা সাজা হয়। এছাড়াও পিরোজপুর সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২টি মামলা রয়েছে।