- Advertisement -
হোম জাতীয় মাঠপর্যায়ে পুলিশের ভূমিকায় সন্তষ্ট ডিআইজি হাবিবুর রহমান

মাঠপর্যায়ে পুলিশের ভূমিকায় সন্তষ্ট ডিআইজি হাবিবুর রহমান

- Advertisement -

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করছে। পুলিশি সেবা সাধারণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের ভূমিকা সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার) পিপিএম (বার)।

তিনি বলেন, পুলিশকে জনবান্ধব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভূমিকায় আমরা খুশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে দেখতে চান। এজন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে সারা দেশের পুলিশ।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে দৈনিক জাগো কন্ঠ সম্পাদকের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ডিআইজি হাবিবুর রহমান।

জানা গেছে, পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ করতে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিব। সে অনুযায়ী জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক আরও বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সম্প্রতি ফরিদপুরের সালথা থানার রামকান্তপুর বাইতুল আমান জামে মসজিদে এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে সালথা থানার ওসি একটি বৈঠক করেন। সেখানে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মসজিদ কমিটির সভাপতি এবং পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ইমামদের উদ্দেশ্যে ওসি বলেন, ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা ইসলামী দেশরত্ম গড়ার কারিগর। আপনারা যে কথাগুলো বলবেন-সমাজের সব শ্রেণীর মানুষ তা সাদরে গ্রহণ করবে এবং তা মানার চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের আইকন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার) পিপিএম (বার) স্যার এবং ফরিদপুরের এসপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে কিছু বার্তা পৌছে দেয়ার জন্য আমি এখানে এসেছি।

বার্তাটা হচ্ছে-বিভিন্ন সেবা নিতে আপনাদের পুলিশের কাছে যেতে হয়। এজন্য অনেকে বিভিন্ন মাধ্যম ধরে। থানায় সরাসরি যেতে পারে না। এখন থেকে আপনারা যে কোন সমস্যায়, সেবা নিতে সরাসরি থানায় চলে যাবেন, থানায় লোক পাঠিয়ে দেবেন। থানায় সেবা নেয়ার জন্য কখনই একটা টাকাও খরচ করতে হবে না। আপনারা মসজিদে বলে দিবেন, থানায় সেবা নিতে কোন টাকা লাগবে না, কোন মিডিয়া ধরা লাগবে না। যার যে সমস্যা, সমাধানের জন্য থানায় চলে যাবেন। প্রত্যেক নামাজ শেষে মুসল্লিদের নিয়ে এ কথাটা বলবেন।

সারা দেশে মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে ওসি জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীকে সামনে রেখে সরকার সব থানায় ৬৬০ টি মডেল মসজিদ দিয়েছে। তারমধ্যে প্রথম ধাপে ৫০টি মসজিদের উদ্বোধন হয়ে গেছে। আমরাও সৌভাগ্যবান এজন্য যে, সালথায় প্রথম ধাপে একটি মডেল মসজিদ পেয়েছি। এটা বাংলাদেশ সরকারের অবদান।

এ মসজিদ অত্যন্ত আধুনিক মসজিদ। এখানে ছেলে-মেয়ে আলাদাভাবে নামাজ পড়তে পারবেন। একসঙ্গে বহু লোক জামাতে নামাজ পড়তে পারবেন। এখানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থাকবে। এখানে ইসলামিক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। যারা মাসলা-মাসায়েল প্রদান করেন তাদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি।

জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে ওসি বলেন, একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে যে, হুজুররা জঙ্গি। আদৌ কি হুজুররা জঙ্গি? হুজুর যদি না তৈরি হয়, কেউ যদি কোরআন হেফজ না করে তাহলে আল্লাহর কোরআন শিখবে কিভাবে? তিনি বলেন, জঙ্গি যে হয়, বিভিন্ন মোটিভেশনের কারণে হয়। মসজিদে ইমামদের বয়ানে বলতে হবে যে, আসলে হুজুররা জঙ্গি না। হুজুর হলেই জঙ্গি-এই ভ্রান্ত ধারণা সম্পর্কে বর্ণনা দিবেন। হুজুররা সমাজের ইসলামী দৃষ্টিকোণের সর্বপ্রথম চালিকা শক্তি। এজন্য ভালো বয়ান দিবেন। সবাই শুনবেন। সমাজে এই বার্তা পৌছে দিবেন। আমরা থানার সেবা, পুলিশি সেবা আপনাদের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়ার চেষ্টা করছি।

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও সংবাদ

- Advertisement -