- Advertisement -
হোম জাতীয় দেশে সরকারি খাদ্যশস্য মজুতের রেকর্ড

দুই মাসে ছাড়িয়ে যাবে গোডাউনের ধারণক্ষমতা

দেশে সরকারি খাদ্যশস্য মজুতের রেকর্ড

- Advertisement -

দেশে খাদ্যশস্য মজুতের রেকর্ড করতে যাচ্ছে সরকার। গত মে মাসেও যেখানে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত একদম তলানিতে ছিল সেখানে আগামী দুই মাসের মধ্যে সরকারি গোডাউনে খাদ্যশস্য রাখার জায়গা থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের নেতৃত্বে খাদ্য অধিদপ্তরের বর্তমান মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমানের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার কারণে খাদ্যশস্য মজুতের এ রেকর্ড হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রমতে, দেশে সিএসডি ও এলএসডি গোডাউনে বর্তমান ধারণক্ষমতা ২০ লাখ টন। চলমান অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে ইতোমধ্যেই ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল, আড়াই লাখ মেট্রিক টন ধান এবং এক লাখ মেট্রিক টন গম সংগৃহীত হয়েছে। গত কয়েক মাসে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে প্রায় ৯ লাখ টন চাল গম। আরও ৫ লক্ষাধিক টন চাল বিদেশ থেকে আসার অপেক্ষায় আছে। ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে বোরো সংগ্রহ অভিযান, এই সময়ের মধ্যে আরো ৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য অভ্যন্তরীণভাবে সংগ্রহের আশা করছে খাদ্য অধিদপ্তর।

বর্তমানে সরকারি খাদ্যগুদামে মোট মজুতের পরিমাণ ১৪.২৫ লাখ মেট্রিক টন। আগস্ট শেষে এ মজুত দাড়াবে প্রায় ২৪/২৫ লাখ মেট্রিক টন। ফলে সরকারি গোডাউনে খাদ্যশস্য মজুতের আর কোন জায়গা পাওয়া যাবে না।
খাদ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত বছর অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ অভিযানে সংগ্রহ মূল্য বাজার মূল্যের তুলনায় কম হওয়ায় সংগ্রহ কার্যক্রম সফল হয়নি। যে কারণে সরকারি নিরাপত্তা মজুত তলানিতে চলে এসেছিলো। তবে এই মৌসুমে সংগ্রহ মূল্য ৪০ টাকা নির্ধারণ করার ফলে চাল সংগ্রহ সংগ্রহ অভিযান সফল হওয়ার পথে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। একজন মানুষও যেন ক্ষুধার্ত না থাকে, খাবারের কষ্ট না পায় সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সেই দিক বিবেচনায় আমরা ন্যায্য মূল্যে ধান-চাল সংগ্রহ করছি। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের সরকারি খাদ্য শস্যের মজুত গোডাউনের ধারণ ক্ষমতা ছাড়িয়ে যাবে।

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও সংবাদ

- Advertisement -