- Advertisement -
হোম জাতীয় হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেপ্তার

হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেপ্তার

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক: হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুবুল আলম জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানা ও ঢাকার মতিঝিল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের পর তেজগাঁও থানায় নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল প্রথম আলোকে বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর মামুনুল হককে প্রথমে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে কিছু সময় রাখার পর তেজগাঁও থানায় নেওয়া হয়। এর আগে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ২০২০ সালে মোহাম্মাদপুরে একটি ভাঙচুরের মামলায় মামুনুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা আছে মতিঝিল, পল্টন, নারায়ণগঞ্জে। পরে সেগুলো সমন্বয় করা হবে। কাল সোমবার মামুনুলকে আদালতে তোলা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশিদ বলেন, মামনুল হককে দীর্ঘদিন ধরেই নজরদারিতে রাখা হচ্ছিল।
তেজগাঁও পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মামুনুলকে তেজগাঁও থানায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
মামুনুল হক বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় আছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় গত ২৬ মার্চ সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনায় মামুনুলের সংশ্লিষ্টার অভিযোগে মামলা হয়। পল্টন থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার অন্যতম আসামি তিনি।

এ ছাড়া ‘একাধিক বিয়ের’ খবরে মামুনুল হক সম্প্রতি আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। এর একটি ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রয়্যাল রিসোর্টে মামুনুল হক নারীসহ ঘেরাও হন। তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে হেফাজতের কর্মীরা সেদিন রিসোর্টে ভাঙচুর করেন। ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। একটি মামলার আসামি করা হয় মামুনুল হককে।#

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও সংবাদ

- Advertisement -