- Advertisement -
হোম ধর্ম আজ পবিত্র শবে কদর

আজ পবিত্র শবে কদর

- Advertisement -

আজ রোববার দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। রমজান মাসের ২৬ তারিখের এই রাতে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। তাই মুসলমানদের কাছে শবে কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। কদরের রাতটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। তাই শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবী হলো লাইলাতুল কদর বা সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর।

হাদিসে আছে, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, অন্যান্য সময়ে এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, শবে কদরের রাতে ইবাদত করলে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনেও বলা আছে, হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম লাইলাতুল কদর।

ইসলামের বর্ণনা মতে, এই রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুননির্ধারণ করা হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে তাই এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত।

তবে শবে কদর কবে তা কোরআন-হাদীসে কোথাও স্পষ্ট করা হয়নি। এ নিয়ে ইসলামী চিন্তাবিদদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর বলে অভিমত অধিকাংশ আলেমের।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন রাতটি। এ উপলক্ষ্যে মসজিদে মসজিদে আলোচনা সহ বিশেষ ইবাদত-বন্দেগির আয়োজন করা হয়। এ দিন তারাবির নামাজে কোরআন খতম দেওয়া হয়।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত বছরের মতো এবারও মসজিদগুলোতে খুব বেশি আয়োজন থাকবে না। তারাবির নামাজের পর সীমিত পরিসরে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমেই হয়তো শেষ হবে শবে কদরের আয়োজন। তবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনেকে বাসায় ইবাদত-বন্দেগি করবেন।#

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও সংবাদ

- Advertisement -