- Advertisement -
হোম আন্তর্জাতিক ৪ লাখ নতুন রোগীর বিশ্ব রেকর্ড ভারতে

করোনাভাইরাস

৪ লাখ নতুন রোগীর বিশ্ব রেকর্ড ভারতে

- Advertisement -

ভারতে নতুন করে ৪ লাখ ১ হাজার ৯৯৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, যা ২৪ ঘণ্টার হিসেবে শনাক্তের সংখ্যায় বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ।

একদিনে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে ৩ হাজার ৫২৩ জনের মৃত্যু হয় বলে শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

নতুন সংখ্যা যোগ করে ভারতে এ যাবত মোট শনাক্ত ১ কোটি ৯০ লাখ ছাড়িয়ে গেল; মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৮৫৩ জনে দাঁড়ালো।

দৈনিক সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে রোগীর সংখ্যা বাড়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবাতে তৈরি হয়েছে বিপুল চাহিদা। হাসপাতালে শয্যার পাশাপাশি অক্সিজেনের অভাব প্রকট হয়েছে।

এই মুহূর্তে ভারতে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ৭১০ জন। এই পরিস্থিতিতেই দেশে চলছে টিকাদান; যদিও গত কয়েকদিনে টিকা দেওয়া হয়েছে খুবই কম।

আনন্দবাজার লিখেছে, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে।

তবে শনিবার থেকে মহামারীর ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রাপ্তবয়স্ক সবাইকে করোনাভাইরাস টিকা দিতে শনিবার গণটিকাদান শুরু করেছে ভারত সরকার।

যদিও করোনাভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে মুমূর্ষু কয়েকটি রাজ্যে টিকার মজুদই নেই। ভ্যাকসিনের ঘাটতির কারণে মুম্বাই শহরের সব টিকাদান কেন্দ্র শুক্রবার থেকে তিনদিন বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দিল্লিতে টিকার মজুদ না থাকায় মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল আগে থেকেই অহেতুক কাউকে টিকাকেন্দ্রের বাইরে লাইন না দেওয়ার অনুরোধ জানান।

শুক্রবার এক টুইটে তিনি বলেন, “অহেতুক ভিড় বাড়াবেন না। টিকা দিল্লি এসে পৌঁছালে সকলকেই জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাটের প্রধান বাণিজ্যনগরী আহমেদাবাদে টিকা নেওয়ার জন্য শত শত লোককে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

এর মধ্যে গভীর রাতে সেখান থেকে প্রায় দুশো মাইল দূরের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ কোভিড রোগী ও দুজন স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

১৫ এপ্রিল থেকেই দেশটিতে দৈনিক দুই লাখের বেশি নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হওয়া শুরু করে। এক সপ্তাহ আগে দৈনিক সংক্রমণ তিন লাখের ঘর ছাড়িয়ে যায়।

আক্রান্ত আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি জনস্বাস্থ্যের সংকট তৈরি করায় ভারত সরকার বিদেশ থেক অক্সিজেন, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিস সংগ্রহের চেষ্টা করতে বাধ্য হয়।

রয়টার্স বলছে, দেশটিতে মে মাসের তিন থেকে পাঁচ তারিখ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সর্বোচ্চ হতে পারে জানিয়ে ভারত সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

বেশ কজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলছেন, সংক্রমণের হার দৈনিক ১০ হাজার থাকার সময় করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে মনে করে আত্মতুষ্ট হয়েছিল ভারত।

বিধিনিষেধ তুলে উৎসব এবং রাজনৈতিক সমাবেশের অনুমোদন দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও সংবাদ

- Advertisement -