- Advertisement -
হোম জাতীয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বন্ধ চায় জাতীয় কারিগরি কমিটি

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বন্ধ চায় জাতীয় কারিগরি কমিটি

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতে ‘ডাবল ও ট্রিপল মিউট্যান্ট’ ভাইরাসের কথা শোনা যাচ্ছে। ভারতের নতুন এই ধরন বাংলাদেশে যেন আসতে না পারে সেজন্য সীমান্ত বন্ধ বা কঠোর সতর্কতা জারির পরামর্শ দিয়েছে করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটি।

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকায় শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক পেছনে ফেলেছে ভারত। শনিবার (২৪ এপ্রিল) ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ ৪৯ হাজার ৩১৩ জন। যা বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড। এদিকে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন দুই হাজার ৭৬৭ জন রোগী। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৬২৪ জন।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, “গত তিন দিনে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ লাখ। মৃত্যু ছাড়িয়েছে সাত হাজার ৫০০।”

প্রতিবেশী দেশ ভারতের এ অবস্থা দেখে করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের সীমান্তবর্তী দেশ ভারত। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের কী অবস্থা আমরা দেখতে পাচ্ছি। তাদের সঙ্গে যেহেতু আমাদের এখনও সীমান্ত খোলা তাই যেকোনো সময় দেশটির ‘ডাবল ও ট্রিপল মিউট্যান্ট’ ধরনটি আমাদের দেশে চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ভারত থেকে চলেই আসে, তবে তা আমাদের জন্য অনেক ঝুঁকির কারণ হবে।”

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও কানাডার সিনিয়র পলিসি বিশ্লেষক ডা. শাহরিয়ার রোজেন বলেন, “বর্ডার কন্ট্রোল করা এবং ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষত ভারতের ধরনটি অত্যন্ত ভয়বহ। এ কারণে ভারতের সঙ্গে আমাদের সব বর্ডার এখনই বন্ধ করা উচিত।”

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, “ভারতের ‘ডাবল ভ্যারিয়েন্ট’ যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগতদের অবশ্যই কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। ‘ডাবল ভ্যারিয়েন্ট’ প্রবেশ করলেই দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।”

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও সংবাদ

- Advertisement -